অভিজিৎ হত্যা : শিগগিরই তদন্ত শেষের আশা মনিরুলের

প্রচ্ছদ » জাতীয় » অভিজিৎ হত্যা : শিগগিরই তদন্ত শেষের আশা মনিরুলের

avijitনিজস্ব প্রতিবেদক: লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ডে এখন পর্যন্ত মোট ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ মামলায় আরও পাঁচজনের সরাসরি সম্পৃক্তার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের গ্রেফতার করতে পারলে তদন্ত কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান মনিরুল ইসলাম।

রোববার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

আগামীকাল সোমবার অভিজিৎ হত্যার তিন বছর পূর্ণ হবে।

মনিরুল ইসলাম বলেন, মামলাটি শুরুতে ডিবি তদন্ত করেছে। তিন মাস আগে সিটিটিসি তদন্তের দায়িত্ব নেয়। এর আগে ডিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোট সাতজনকে গ্রেফতার করেছে। সিটিটিসি গ্রেফতার করেছে তিনজনকে। মুকুল রানা নামের একজন ডিবি পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন।

সিটিটিসির হাতে গ্রেফতার তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের জবানবন্দী অনুযায়ী ডিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়া সাতজনের মধ্যে তিনজনের এ মামলায় কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। এছাড়া তাদের জবানবন্দী অনুযায়ী, আনসার-আল-ইসলামের প্রধান মেজর (বরখাস্ত) জিয়াসহ পাঁচজনকে খুঁজছি আমরা। মেজর জিয়া ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে নিজেই অপারেশনটি পরিচালনা করেছেন। ওই পাঁচজনের মধ্যে ২-৩ জনকে ধরতে পারলে আদালতে চার্জশিট দেয়া হবে।

‘আমরা খুব তাড়াতাড়ি তদন্তকাজ শেষ করার বিষয়ে আশাবাদী’- যোগ করেন তিনি।

মেজর (বরখাস্ত) জিয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তিনি সরাসরি সম্পৃক্ত। ঘটনার সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন। তিনি গ্রেফতার না হলেও বিচারকার্যক্রম পরিচালনা করার মতো তথ্যপ্রমাণ আমাদের হাতে রয়েছে।’

মেজর জিয়ার অবস্থান সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তিনি বর্তমানে পলাতক। কয়েক মাস আগে তিনি দেশে ছিলেন কিন্তু বর্তমানে তিনি কোথায় আছেন, এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। আমাদের বিশ্বাস তিনি দেশে থাকলে কিংবা সক্রিয় থাকলে আমাদের ইন্টেলিজেন্স তাকে খুঁজে বের করতে পারতো।’

আনসার-আল-ইসলামের বর্তমান অবস্থা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তারা অনলাইন বেজড কাজ করছে। অপারেশন বেজড কোনো কার্যক্রমে নেই।’

২০১৫ সালের ২৬শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় একুশে বইমেলার কাছে অভিজিৎ রায়কে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের সময় তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদও আহত হন। অভিজিৎ রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক অজয় রায়ের ছেলে।

হত্যাকাণ্ডের পরদিন আনসার বাংলা-৭ নামের একটি সংগঠনের নামে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকারের খবর আসে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Live Video

সম্পাদকীয়

অনুসন্ধানী

বিনিয়োগকারীর কথা

আর্কাইভস

February ২০২১
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jan    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮