পাবলিক ইস্যু রুলস-২০১৫ সংশোধনের প্রস্তাব চূড়ান্ত

প্রচ্ছদ » Breaking News || Slider » পাবলিক ইস্যু রুলস-২০১৫ সংশোধনের প্রস্তাব চূড়ান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) ইস্যুর ক্ষেত্রে বেশ পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। এ উদ্দেশ্যে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) রুলস-২০১৫ সংশোধনের প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে।

শেয়ারবাজার থেকে আইপিও প্রক্রিয়ায় মূলধন সংগ্রহ করতে চাইলে কোম্পানিকে ফিক্সড প্রাইসে কমপক্ষে ৩০ কোটি টাকা এবং বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ন্যূনতম ৫০ কোটি টাকা মূলধন তুলতে হবে।

আজ অনুষ্ঠিত ৬০৩তম বিএসইসি’র কমিশন সভায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) রূলস, ২০১৫ এর সংশোধনী অনুমোদন দেওয়া হয়। জনমত জরিপের জন্য সংশোধনীটি জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশ করা হবে।

বিএসইসির মূখপাত্র মো: সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংশোধনীতে বলা হয়েছে, ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে কোন কোম্পানি তালিকাভুক্ত হতে চাইলে এর ন্যূনতম পরিশোধীত মূলধন ১৫ কোটি টাকা হতে হবে এবং শেয়ারবাজারে কমপক্ষে ৩০ কোটি টাকার শেয়ার ছাড়তে হবে। একই ভাবে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে তালিকাভুক্ত হতে চাইলে কোম্পানির পরিশোধীত মূলধন ন্যূনতম ৩০ কোটি টাকা এবং কমপক্ষে ৫০ কোটি টাকার শেয়ার ছাড়তে হবে।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আরো কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে যোগ্য বিনিয়োগকারীরা (ইলিজিবল ইনভেস্টর) তাদের জন্য নির্ধারিত কোটার সর্বোচ্চ ২ শতাংশ পরিমাণ শেয়ার বা সিকিউরিটিজ প্রাপ্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। এছাড়া বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে বিডিংয়ে সকল যোগ্য বিনিয়োগকারীর আবেদনের পরিমাণের ভিত্তিতে আনুপাতিক হারে তারা সিকিউরিটিজ বরাদ্দ পাবে।

বিদ্যমান আইনে কোনো কোম্পানিকে আইপিও প্রক্রিয়ায় কমপক্ষে ১৫ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহের শর্ত রয়েছে। এ ক্ষেত্রে অভিহিত মূল্য ১০ টাকা দরে আইপিওতে আসা কোম্পানিকে কমপক্ষে দেড় কোটি শেয়ার বিক্রি করতে হয়। তবে বুক বিল্ডিং প্রক্রিয়ায় কোনো কোম্পানির প্রিমিয়ামসহ শেয়ারদর (কাট-অব-প্রাইস) বেশি নির্ধারিত হলে, যাতে দেড় কোটির কম শেয়ার ইস্যুর প্রয়োজন হতে পারে, এমন ক্ষেত্রে আইপিওটি বাতিলের বিধান রয়েছে।

কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী কমপক্ষে ৩০ কোটি টাকার মূলধন (পরিশোধিত মূলধনের হিসাবে) বা তিন কোটি শেয়ার ইস্যুর বাধ্যবাধকতা আরোপ হলে অতিরিক্ত প্রিমিয়াম নির্ধারণের সুযোগ বন্ধ হবে। বিশেষত যেসব কোম্পানি এরই মধ্যে তাদের মূলধন উত্তোলনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, সেগুলো বেকায়দায় পড়তে পারে। এসব কোম্পানি তাদের মূলধন উত্তোলনের লক্ষ্য পুনর্নির্ধারণ না করে এ প্রক্রিয়ায় এলে কাঙ্ক্ষিত প্রিমিয়াম পাওয়ার সুযোগ থাকবে না।

সংশোধনীতে কোম্পানির স্পন্সর, ডিরেক্টর এবং ১০ শতাংশের অধিক ধারণকৃত শেয়ার হোল্ডারদের শেয়ার ৩ বছরের জন্য লক-ইন থাকবে। আর অন্যান্য শেয়ারহোল্ডারদের ধারণকৃত শেয়ারের উপর এক বছরের লক-ইন থাকবে।

আগে ৫ শতাংশের অধিক ধারণকৃত শেয়ার হোল্ডারদের শেয়ার ৩ বছরের জন্য লক-ইন ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Live Video

সম্পাদকীয়

অনুসন্ধানী

বিনিয়োগকারীর কথা

আর্কাইভস

November ২০২০
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Oct    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০