ঈদ ফ্যাশনে ছেলেদের টুকিটাকি

প্রচ্ছদ » লাইফস্টাইল » ঈদ ফ্যাশনে ছেলেদের টুকিটাকি

পুঁজিবাজার রিপোর্ট ডেস্ক : ঈদ মানে ফ্যাশেনবল ছেলেদের কাছে শুধু নতুন পোশাক নয়, সঙ্গে চাই আরো কত কী! কেবল পাঞ্জাবি বা জামা-প্যান্টই নয়, ঈদের দিন পরিপাটি হয়ে বেরুতে চাই আরো কত আনুষঙ্গিক বিষয়। এই তালিকায় রয়েছে জুতা, বেল্ট, মানিব্যাগ, রোদ চশমা, ব্রেসলেট, ঘড়ি, বডি স্প্রে, আন্ডারওয়্যার এবং মোজা।

জুতা : পোশাকের পর ছেলেদের কাছে প্রিয় হচ্ছে ফ্যাশনবেল ও আরামদায়ক জুতা। এবারের ঈদে বাটা, অ্যাপেক্স, বে-ইম্পোরিয়াম, জেনিথ, লোটো, রিবক, নাইকি, অ্যাডিডাস, পুমাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শোরুমে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ডিজাইনের স্যান্ডেল ও জুতা। এসব জুতার দাম ২০০০ থেকে ৭০০০ টাকা এবং স্যান্ডেলের দাম ৬০০ থেকে ৪০০০ টাকা।

বেল্ট : কিছুটা বড় এবং পাথরযুক্ত বকলেসের বেল্টের চাহিদাই এখন বেশি। ‘ফরমাল লুক’য়ের সঙ্গে মানানসই চামড়ার বেল্টের বিকল্প নেই। বেল্টের মধ্যে রয়েছে কয়েকটি ভাগ। ব্র্যান্ড লেদার, ফ্যাশনেবল কিংবা ডিজাইনার বেল্ট। বেল্টের ভালো ব্র্যান্ডগুলো হচ্ছে- বস, প্লেবয়, আরমানি, অ্যাপেক্স, গুসি এবং সিকে। ২০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে এসব বেল্টগুলো।

মানিব্যাগ : ছেলেদের কাছে মানিব্যাগটা এখন স্টাইলের একটা অংশ হয়ে গেছে। বর্তমানে তারা নানা ধরনের ওয়ালেট ব্যবহার করছেন। অনেকে শুধু টাকা রাখার জন্য মানিব্যাগ বেছে নেন। কেউ আবার কার্ড ও টাকা, দুটোই রাখতে চান। আবার শুধু ভিজিটিং কার্ড বা ক্রেডিট কার্ড রাখার জন্য আলাদা ওয়ালেট আছে বাজারে। রঙের ক্ষেত্রে কালো মানিব্যাগের বাইরে এখন চকলেট, বাদামি, ছাই, নীল ইত্যাদি চলছে ভালো। তবে বয়স ও পেশার ওপর ভিত্তি করে ছেলেদের মানিব্যাগ বেছে নেওয়া উচিত। বাজারে সিনথেটিক চামড়া বা রেক্সিন, চামড়া, পাট বা কাপড়ের মানিব্যাগগুলোর বেশ চল রয়েছে এখন। আর এগুলো পাওয়া যাবে ১০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে।

রোদ চশমা : পাঞ্জাবি, শার্ট কিংবা টি-শার্ট, সব ধরনের পোশাকের সঙ্গে চশমাও পরতে হয় একেবারে মানানসই করে। এক্ষেত্রে কোন মুখাবয়বের সঙ্গে কোন ধরনের চশমা ভালো মানাবে তা মাথায় রেখেই ফ্যাশনের এই অনুষঙ্গটি নির্বাচন করতে হয়। ছেলে, মেয়ে প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন স্টাইল। ওজনে হাল্কা হলেই পরতে বেশি আরামদায়ক রোদ চশমা। রয়েছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডও। এগুলোর মধ্যে তরুণ-তরুণীদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে ডলসি অ্যান্ড গাব্বানা, পলিস, প্রাডা, জর্জিও আরমানি ইত্যাদি। আর এগুলো আপনি পেয়ে যাবেন ৪০০ থেকে ৩৫০০ টাকার মধ্যে।

ব্রেসলেট : ফ্যাশনে ব্রেসলেটের ধারণা বেশ পুরোনো হলেও তাকে নতুন করে জাগিয়ে তুলেছে হালের তরুণরা। একটা সময় ছিল যখন ছেলেদের চেয়ে মেয়েরাই এটি বেশি ব্যবহার করত। কিন্তু বর্তমানে ছেলেমেয়ে উভয়েই সমভাবে ব্যবহার করছে ব্রেসলেট। চাহিদা অনুযায়ী উপকরণ আর ডিজাইনেও এসেছে পরিবর্তন। তবে সোনার পাশাপাশি কাঠের টুকরো, লেদার, কাপড়, প্লাস্টিক ও তামার তৈরি ব্রেসলেটগুলোই এবার বেশি চলছে। এর মধ্যে চামড়া, কাঠ ও কাপড়ে তৈরি রেডিমেড ব্রেসলেটগুলো ১৫০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। দামি পাথরের ব্রেসলেট মিলছে ১৫০০ থেকে ১০ হাজার টাকায়। এছাড়া সবসময় ব্যবহারের উপযোগী ব্রেসলেট কিনতে গুনতে হচ্ছে ৫০ থেকে ৫০০ টাকা।

হাত ঘড়ি : বসুন্ধরা সিটির ঘড়ির দোকানগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে রোলেক্স, জেনিথ, টাইটান, সিকো, সুইস আর্মি, ডিজেল, সিটিজেন এবং ডিজনি ব্র্যান্ডের অ্যারিস্ট্রোকেট সব ঘড়ি। দাম একটু বেশি হলেও ঈদ উপহার হিসেবে এবং নিজের ব্যবহারের জন্য অনেকেই বেছে নিচ্ছেন এই হাত ঘড়িগুলো।

বডি স্প্রে, আন্ডারওয়্যার এবং মোজা কিনতে ভিড় দেখা গেছে ইনফিনিটি, আলমাস, লোটো, এক্সটেসি এবং মোস্তফা মার্ট শপে। বডি স্প্রের মধ্যে চলতি ব্র্যান্ডগুলো হচ্ছে- এক্স, চেরি ব্লসম, ওল্ড স্পাইস, ইমপালস, বন্ডএজ এবং অ্যাডিডাস। দাম ৩৫০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Live Video

সম্পাদকীয়

অনুসন্ধানী

বিনিয়োগকারীর কথা

আর্কাইভস

October ২০২১
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Sep    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১