ফেসবুকে চিকুনগুনিয়ার ছড়াছড়ি, স্বাস্থ্য অধিদফতরে নামমাত্র সংখ্যা

প্রচ্ছদ » স্বাস্থ্য » ফেসবুকে চিকুনগুনিয়ার ছড়াছড়ি, স্বাস্থ্য অধিদফতরে নামমাত্র সংখ্যা

পুঁজিবাজার রিপোর্ট ডেস্ক : গত কয়েকদিন ধরে চিকুনগুনিয়া জ্বরে ভুগছি, জ্বর সেই সঙ্গে শরীরের জয়েন্টে জয়েন্টে কি যে ব্যথা, প্রথমে স্ত্রী, তারপর ছেলেমেয়ে ও এখন আমি। সবাই দোয়া করবেন প্লিজ।’

ইদানিং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক খুললেই এ ধরনের পোস্ট চোখে পড়ছে। কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, চলচ্চিত্র ও টিভি অভিনেতা অভিনেত্রী সকল পেশার লোকজনই চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অসহ্য যন্ত্রণার কথা লিখছেন।

কেউ কেউ আবার ডেঙ্গু জ্বরেও আক্রান্ত হওয়ার তথ্য দিচ্ছেন। তবে চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গু নিয়ে ফেসবুকে মাতামাতি থাকলেও স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসেবে আক্রান্তের সংখ্যা খুবই কম।

স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে মাত্র ৩৩ জন সম্ভাব্য চিকুনগুনিয়ার রোগী ভর্তি হন। বিভিন্ন হাসপাতালের মধ্যে সেন্ট্রাল হাসপাতালে ১২, সালাউদ্দিনে ৮, মিটফোর্ডে ৫ জন, ইবনেসিনায় ৩, পপুলারে ২, মুগদা ১, স্কয়ারে ১ ও শহীদ সোহরওয়ার্দীতে ১ জন ভর্তি হন।

এছাড়া চলতি বছর ডেঙ্গু জ্বরে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩২২ জন। এর মধ্যে চলতি মাসে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মাত্র ২ জন। বর্তমানে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন মাত্র ৯ জন রোগী।

ন্যাশনাল ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেন্টার ও স্বাস্থ্য অধিদফতরেরর রোগ নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ইনচার্জ ডা. আয়েশা আক্তার বুধবার দুপুরে জাগো নিউজের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে সম্প্রতি বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করে ডেঙ্গুর সঙ্গে চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্তদেরও হিসাব পাঠাতে নির্দেশনা দেয়া হয়।

কিন্তু পরীক্ষা না করে নিশ্চিত না হয়ে চিকুনগুনিয়া বলতে না পারায় সংখ্যায় কম আসছে। যে ৩৩ জনের চিকুনগুনিয়ার রোগীর তথ্য পাঠানো হয়েছে তারা ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত না হওয়ায় চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত বলে ধারণা করেছেন চিকিৎসকরা।

সম্প্রতি জাগো নিউজের সঙ্গে আলাপকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ফ্যাকাল্টির ডিন অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ জানান, গত কয়েকমাসে প্রাইভেট চেম্বারে তিনি চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত কয়েকশ রোগী পেয়েছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাউথ ইস্ট এশিয়া রিজিওন এর সাবেক রিজিওনাল অ্যাডভাইজার অধ্যাপক এম মোজাহেরুল জাগো নিউজের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, চিকুনগুনিয়া নিয়ে জনমনে এক ধরনের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ডেঙ্গবাহী এডিস মশাই চিকুনগুনিয়ারও বাহক। এ মশার উৎপত্তিস্থলগুলোতে কার্যকর মশক নিধন কার্যক্রম চালালে এ রোগের প্রকোপ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Live Video

সম্পাদকীয়

অনুসন্ধানী

বিনিয়োগকারীর কথা

আর্কাইভস

October ২০২১
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Sep    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১