আমরা চাই তৃণমূলের মানুষের ব্যবসা বাণিজ্যের সম্প্রসারণ

প্রচ্ছদ » Uncategorized » আমরা চাই তৃণমূলের মানুষের ব্যবসা বাণিজ্যের সম্প্রসারণ

pmপুঁজিবাজার রিপোর্ট ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ব্যবসা বাণিজ্যকে আমরা গ্রাম পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছি , আমরা চাই তৃণমূলের মানুষের ব্যবসা বাণিজ্যের সম্প্রসারণ ঘটুক এবং তাদের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি হোক। পণ্যের বহুমুখীকরণে আমরা নানা পদক্ষেপ নিয়েছি। তিনি বলেন, শুধু কৃষি নয় ‍শিল্পায়নের দিকেও আমরা জোর দিয়েছি। কারণ, খাদ্যের জোগানের জন্য কৃষি যেমন জরুরি, তেমনি দেশের উন্নয়নে শিল্পায়নের সম্প্রসারণও জরুরি।

রবিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ৬০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ‘ডেস্টিনেশন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় সবকিছু করা হবে। এ লক্ষ্যে দেশে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শিল্পায়নের জন্য এসব অঞ্চলকে বেসরকারি খাতে দেয়া হবে। এছাড়া কোন এলাকায় বিশেষ কী কী পণ্য উৎপাদন হয় তার ভিত্তিতে শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা হবে। যেন উৎপাদিত পণ্য দ্রুত বাজারজাত করা যায়।

শেখ হাসিনা বলেন, বিদেশী বিনিযোগ (এফডিআই) আকৃষ্ট করতে আমরা অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে যাচ্ছি। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নরে জন্য শেয়ার মার্কেট থেকে প্রায় ৩.৭৫ বিলিয়ন ডলার মূলধন সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে চীন, জাপান, কোরিয়া ও ভারত সরকার বিদ্যুৎ, রেলওয়ে, সেতু, সড়ক, বন্দর, টার্মিনাল এবং টেলিকম সেক্টরে বিনিয়োগের আগ্রহ দেখিয়েছে। বাংলাদেশের অবকাঠামো খাত উন্নয়নের জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে অতিরিক্ত ৩০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারিখাতের অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, দেশের মানুষ যদি ভোট দেয় তাহলে আবার ক্ষমতায় আসবো। যেসব উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছি, সেগুলো এগিয়ে নিতে কাজ করে যাবো। ভোট না দিলেও মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করবো।

শেখ হাসিনা বলেন, ৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে আমরা বেসরকারি খাতকে সুযোগ করে দিয়েছি। রেডিও, টেলিভিশন, বিমানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে আমরা বেসরকারি খাতে দিয়েছি। আমরা সবসময় বেসরকারি খাতকে শক্তিশালী করতে চেয়েছি যেন দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়, কারণ বিনিয়োগই পারে দেশকে শক্তিশালী করতে। এছাড়া ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের ঘোষণা দেই। সেই সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ করে দেই। বাংরাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। দেশে বিদ্যুৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে, জিডিপি বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে আরো অনেক পরিকল্পনা হাতে নেয়া।

তিনি বলেন, ২০৩০ ও ২০৪১ সালের ভিশন অর্জনের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সংস্থা ও প্রতিবেশী বন্ধুপ্রতীম দেশসমূহের সাথে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক উন্নয়ন অনস্বীকার্য। এছাড়া বিসিআইএম, বিবিআইএন, সার্ক, এশিয়ান ইত্যাদি কৌশলগত আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক সংস্থা ও চুক্তির সাথে সংযুক্ত হলে বাংলাদেশের পণ্যে প্রবেশাধিকার এবং ব্যবসা-বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরো গতিশীল হবে।

এসময় প্রধানমন্ত্রী এই সম্মেলনের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এর আগে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ‘ভিসনারি লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Live Video

[ytplayer id=33256]

সম্পাদকীয়

অনুসন্ধানী

বিনিয়োগকারীর কথা

আর্কাইভস

October ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« May    
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১