পুঁজিবাজারে তারল্য বাড়াতে অর্থ দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

প্রচ্ছদ » Uncategorized » পুঁজিবাজারে তারল্য বাড়াতে অর্থ দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

bsec-bbপুঁজিবাজার রিপোর্ট ডেস্ক: পুঁজিবাজারে তারল্য সংকট কাটাতে রেপোর (পুনঃক্রয় চুক্তি) মাধ্যমে অর্থ সরবারহ করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন থেকে পুঁজিবাজারে সাময়িক তারল্য সুবিধা প্রদান-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে। ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ বাড়ানো ও তারল্য সরবরাহ এবং গতিশীল পুঁজিবাজার নিশ্চিত করতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বর্তমানে অধিকাংশ ব্যাংকের অগ্রীম ও জামানতের অনুপাত নির্ধারিত মাত্রা অপেক্ষা কম এবং বাধ্যতামূলক জমার হার (সিএলআর) সংরক্ষণের পর অতিরিক্ত তারল্য রয়েছে। এসব ব্যাংকের জন্য আইনি সীমার মধ্যে থেকে পুঁজিবাজারে মৌল ভিত্তিক ইন্সট্রুমেন্টে বিনিয়োগের যথেষ্ট সুযোগ ও সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ব্যাংকগুলোর এরূপ বিনিয়োগে অংশগ্রহণ (নিজস্ব পোর্টফোলিওতে সরাসরি বিনিয়োগ অথবা সাবসিডিয়ারি কোম্পানিতে ঋণ প্রদানকরত ওই কোম্পানির নিজস্ব পোর্টফোলিওর আকার বৃদ্ধির মাধ্যমে পরোক্ষ বিনিয়োগ) পুঁজিবাজারে তারল্য সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি একটি গতিশীল পুঁজিবাজার নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।

এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখে পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর নিজস্ব পোর্টফোলিওতে সরাসরি বিনিয়োগ অথবা সাবসিডিয়ারি কোম্পানিতে ঋণ প্রদানের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তারল্য বাড়াতে বেশকিছু সুবিধা দেয়া হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, এখন থেকে তারল্য সুবিধা গ্রহণেচ্ছুক ব্যাংকের একক বা একীভূত- উভয় ভিত্তিতে পুঁজিবাজার বিনিয়োগ ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ (২০১৮ পর্যন্ত সংশোধিত) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সংক্রান্ত সার্কুলারে বর্ণিত সর্বোচ্চ সীমার (একক ভিত্তিতে বিবেচ্য মূলধন উপাদানের ২৫% এবং একীভূত ভিত্তিতে বিবেচ্য মূলধন উপাদানের ৫০%) কম হতে হবে। তারল্য সুবিধা গ্রহণের পরও বর্ণিত বিনিয়োগ সীমা পরিপালন করতে হবে।

এ সুবিধার অধীনে প্রাপ্ত তারল্য শুধু ব্যাংকের নিজস্ব পোর্টফোলিওতে সরাসরি বিনিয়োগ অথবা সাবসিডিয়ারি কোম্পানির নিজস্ব পোর্টফোলিওতে বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট সাবসিডিয়ারি কোম্পানিকে ঋণ দিতে পারবে।

প্রাপ্ত তারল্য ব্যাংকের নিজস্ব পোর্টফোলিওতে বা সাবসিডিয়ারি কোম্পানির নিজস্ব পোর্টফোলিওতে বিনিয়োগের জন্য নতুনভাবে পৃথক বিও একাউন্ট খুলতে হবে।

ব্যাংকগুলোর অতিরিক্ত তারল্য থেকে ট্রেজারি বন্ড বা বিল রেপোর মাধ্যমে এ তারল্য সুবিধা গ্রহণ করতে হবে।

ট্রেজারি বন্ড বা বিলের রেপো মূল্যের ৫ শতাংশ মার্জিন হিসেবে রেখে তারল্য সুবিধা প্রদেয় হবে। নগদে রেপোর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থতার ক্ষেত্রে মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখে সংশ্লিষ্ট সিকিউরিটিজের বাজারমূল্য আদায়যোগ্য অর্থ অপেক্ষা কম হলে তা ইতোপূর্বে গৃহীত মার্জিন থেকে সমন্বয় করা হবে এবং সমন্বয়ের জন্য অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হলে ব্যাংক তা প্রদান করতে বাধ্য থাকবে।

প্রাথমিকভাবে রেপোর মেয়াদ ২৮ দিন হলেও তহবিল ব্যবহারের সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে তা সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত ঘূর্ণায়মাণ রাখা যাবে। এরূপ রেপোর জন্য কোনো অকশনের প্রয়োজন হবে না এবং সুদের হার হবে ৬ শতাংশ।

তারল্য সুবিধা গ্রহণের জন্য যাচিত অর্থের পরিমাণ উল্লেখপূর্বক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন এবং এ উদ্দেশ্যে সদ্য খোলা বিও হিসাবের প্রমাণপত্রসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশনে আবেদন করতে হবে।

প্রদানযোগ্য তারল্য সুবিধার পরিমাণের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে এবং পুনর্বিবেচনার জন্য কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। মেয়াদোত্তীর্ণ রেপো নবায়ন করতে হলে পাঁচ কার্যদিবস আগে আবেদন করতে হবে। এছাড়া সার্কুলার জারির তিন মাসের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক বরাবর আবেদন করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Live Video

[ytplayer id=33256]

সম্পাদকীয়

অনুসন্ধানী

বিনিয়োগকারীর কথা

আর্কাইভস

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« May    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০