বান্দরবানের সাইরু রিসোর্টে অভিযান, ব্যাপক ভ্যাট ফাঁকির তথ্য

প্রচ্ছদ » Uncategorized » বান্দরবানের সাইরু রিসোর্টে অভিযান, ব্যাপক ভ্যাট ফাঁকির তথ্য

পুঁজিবাজার রিপোর্ট ডেস্ক : বান্দরবানের পাহাড়ি রিসোর্ট ‘সাইরু’র বিরুদ্ধে ব্যাপক ভ্যাট ফাঁকির তথ্য পেয়েছে ভ্যাট গোয়েন্দা। সোমবার ভ্যাট গোয়েন্দার একটা দল রিসোর্টটিতে অভিযান চালায়। এই পাহাড়ি রিসোর্টটি বান্দরবান শহর থেকে প্রায় ২৮ কিলোমিটার দূরে চিম্বুক রোডে অবস্থিত। এর মূসক নিবন্ধন নম্বর ০০১৫৭৭০৯৪-০৫০১।

নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের (মূল্য সংযোজন কর) মহাপরিচালক ড. মইনুল খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, আজ ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদফতরের একটি বিশেষ দল সাইরু রিসোর্টে অভিযান পরিচালনা করে। এতে নেতৃত্ব দেন সংস্থার সহকারী পরিচালক মো. মহিউদ্দীন।

পাশাপাশি ভ্যাট গোয়েন্দার আরেকটি দল রাজধানীর বনানীতে সাইরুর হেড অফিসেও অভিযান পরিচালনা করে। কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউয়ের সফুরা টাওয়ারের ১৪ তলায় এর হেড অফিস। উপপরিচালক তানভীর আহমেদের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

প্রাথমিকভাবে দুটি অভিযানে ভ্যাট গোয়েন্দা দল ব্যাপক ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছে। গোয়েন্দারা ২০১৮ সাল থেকে রিসোর্টের প্রকৃত বিক্রয় তথ্য উদ্ধার এবং কম্পিউটার থেকে তথ্যাদি জব্দ করে।

এতে দেখা যায়, স্থানীয় বান্দরবান ভ্যাট সার্কেলে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ প্রকৃত বিক্রয় গোপন করেছে। যেমন সদ্যসমাপ্ত অক্টোবর কর মেয়াদের রিটার্নে (যা নভেম্বর ১৫ তারিখ দাখিলকৃত) তাদের হোটেলে সেবা বিক্রয় প্রদর্শন করেছে ১১ লাখ ৩৯ হাজার টাকা, যার ওপর ১৫ শতাংশ হিসেবে আদর্শহারে পরিশোধিত মূসক এক লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং আদর্শহার ব্যতীত বিক্রয় চার লাখ টাকা, যার ওপর ৭.৫ শতাংশ হারে পরিশোধিত মূসক ৩০ হাজার টাকা।

উদ্ধার করা বিক্রয় তথ্য অনুসারে, ভ্যাট গোয়েন্দার দল দেখতে পায়, ওই মাসে বিক্রয় হয় এক কোটি ২৯ লাখ টাকা, যার ওপর ১৫ শতাংশ হারে প্রদেয় মূসক ১৯ লাখ ৪৭ হাজার টাকা অর্থাৎ মূসকসহ মোট বিক্রয় এক কোটি ৪৮ লাখ টাকা। এই হিসাব অনুসারে, কেবল অক্টোবর মাসে ভ্যাট ফাঁকি দেয়া হয়েছে প্রায় ১৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকা।

ভ্যাট গোয়েন্দারা অন্যান্য মাসেও অনুরূপ ফাঁকির তথ্য উদঘাটন করেছে। উদ্ধারকৃত তথ্যমতে, সাইরু রিসোর্ট গড়ে প্রতি মাসে ভ্যাট দিয়েছে প্রায় এক লাখ টাকা। কিন্তু প্রকৃত বিক্রয় অনুসারে ভ্যাট প্রযোজ্য হয় মাসে প্রায় ১৫ লাখ টাকা।

ভ্যাট গোয়েন্দার দলের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে যে, সাইরু কর্তৃপক্ষ ক্রেতাদের কাছ থেকে ভ্যাট আদায় করলেও তা যথাযথভাবে সরকারি কোষাগারে জমা দেয়নি; ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে তারা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছে।

জব্দকৃত কাগজপত্র যাচাই ও আরও তদন্ত শেষে সাইরু রিসোর্টের বিরুদ্ধে ভ্যাট আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

পুঁজিবাজার রিপোর্ট – নূ/আ/সি/ ১লা ডিসেম্বর, ২০২০।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Live Video

[ytplayer id=33256]

সম্পাদকীয়

অনুসন্ধানী

বিনিয়োগকারীর কথা

আর্কাইভস

November ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« May    
 ১
২৩৪৫৬৭৮
৯১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০