খুলনায় আরও এক জুট মিলের উৎপাদন বন্ধ
প্রচ্ছদ » Uncategorized » খুলনায় আরও এক জুট মিলের উৎপাদন বন্ধখুলনা প্রতিনিধি : প্লাটিনাম জুটমিলের উৎপাদন বন্ধের একদিন পর বকেয়া সাপ্তাহিক মজুরির দাবিতে দেশের বৃহত্তম পাটকল খুলনার ক্রিসেন্ট জুটমিলের উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছেন শ্রমিকরা। ক্রিসেন্ট জুট মিল শ্রমিকদের অসন্তোষের ফলে মিল এলাকায় থম থমে অবস্থা বিরাজ করছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে মিলের শ্রমিকরা উৎপাদন বন্ধ রেখে মিল গেটের বকুলতলায় বিক্ষোভ শুরু করেছে। শ্রমিকদের বিক্ষোভের মুখে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেখানে এক প্লাটুন পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
প্লাটিনাম জুটমিল ও ক্রিসেন্ট জুটমিলের শ্রমিক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বকেয়ার পরিমাণ প্রায় ২০ কোটি টাকা। দুটি মিলে উৎপাদিত শত কোটি টাকার বেশি পণ্য রয়েছে বলে মিল সূত্র জানিয়েছে।
জানা গেছে, বিজেএমসি নিয়ন্ত্রিত দেশের বৃহত্তম পাটকল খুলনার ক্রিসেন্ট জুটমিল। এই মিলটিতে শ্রমিকদের সাপ্তাহিক মজুরি বকেয়া রয়েছে ৬টি। আর কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাসিক বেতন বকেয়া রয়েছে ২ মাসের। শ্রমিক কর্মচারীদের এই বিপুল পরিমাণ মজুরী বকেয়া থাকায় শ্রমিকরা পরিবার পরিজন নিয়ে পরেছেন বিপাকে। শুধু তাই নয় এই মিলে শ্রমিকদের গচ্ছিত আমানত পিএফএর লোন দীর্ঘ চার মাস বন্ধ রয়েছে।
ক্রিসেন্ট জুটমিলের ডিজিএম আহমেদ হোসেন বলেন, শ্রমিকদের ৬ সপ্তাহের মজুরি বকেয়া রয়েছে। প্রতি সপ্তাহে দেড় কোটি টাকা মজুরি হিসেবে প্রদান করা হয়। আর দুই মাসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাবদ এক কোটি টাকার বেশী বকেয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মিলে উৎপাদিত পন্য রয়েছে প্রায় ৪০ কোটি টাকার। তবে বেশ কয়েকদিনের ছুটির ফাঁদে পড়ে বকেয়া হয়েছে সবকিছু।
এর আগে বুধবার ৭ সপ্তাহের মজুরি বকেয়া থাকায় প্লাটিনাম জুটমিলের উৎপাদন বন্ধ করে টায়ার জ্বালিয়ে রাজপথে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা। আজও মিলটির উৎপাদন বন্ধ রেখে শ্রমিকরা মিল এলাকায় দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল করে চলেছেন।
প্লাটিনামের জেনারেল ম্যানেজার মো. শাহজাহান বলেন, মজুরি আর বেতন বাবদ প্রায় ১০ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। তবে মিলে উৎপাদিত পণ্য রয়েছে ৭৫ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।








