বিসিবি নির্বাচনে পাপনের প্রার্থী দুর্জয়
প্রচ্ছদ » Uncategorized » বিসিবি নির্বাচনে পাপনের প্রার্থী দুর্জয়পুঁজিবাজার রিপোর্ট ডেস্ক: সকাল থেকেই শেরেবাংলা স্টেডিয়াম চত্বরে অন্যদিনের চেয়ে একটু বেশি প্রাণচাঞ্চল্য। স্টেডিয়ামের মূল ফটক দিয়ে ঢুকেই চোখে পড়ল গাড়ির বহর। ঘড়ির কাঁটা দুপুর একটা ছোঁয়ার কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ সরব মিরপুরের শেরেবাংলা স্টেডিয়াম চত্বর। কয়েক’শ যুবক-তরুণ মিছিল করে ঢুকলেন হোম অফ ক্রিকেটে।
তাদের মুখে স্লোগান, ‘দুর্জয় ভাইয়ের পক্ষ থেকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা।’ সেই শো ডাউনের মধ্যমণি নাঈমুর রহমান দুর্জয়। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক বিসিবিতে এলেন তিন থেকে চার’শ ভক্ত ও সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে।
আগেই জানা, আজ ছিল বাংলাদেশে ক্রিকেট বোর্ড পরিচালক পর্ষদের নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেয়ার দিন। বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক ভক্ত ও সমর্থক পরিবেষ্টিত হয়েই এলেন মনোনয়ন জমা দিতে।
বিসিবি নির্বাচনে নাঈমুর রহমান দুর্জয় মানিকগঞ্জ জেলার কাউন্সিলর। আর মনোনয়নপত্র তুলতে তার সঙ্গে আসা কয়েকশো যুবক-তরুণের মূল অংশও মানিকগঞ্জের। তাদের সরব উপস্থিতি আর গগনবিদারী স্লোগানে মুখরিত হোম অব ক্রিকেট।
এ ‘শো ডাউনের’ মধ্যমণি জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক দুর্জয় ভেতরে ঢোকার অল্প কিছু সময় পরই এলেন সদ্যবিদায়ী বিসিবি প্রধান ও আগামীতে নির্বাচিত হতে যাওয়া নাজমুল হাসান পাপন।
নাঈমুরের ভক্তরা তাকেও বরণ করে নিলেন। নাজমুল হাসান পাপনের গাড়ি শেরেবাংলার মূল গেট দিয়ে ভেতরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে আবার শুরু হলো স্লোগান, ‘দুর্জয় ভাইয়ের পক্ষ থেকে পাপন ভাইকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা।
নাঈমুর রহমান দুর্জয় ছাড়া আজ সারা দিনে আর একজন প্রার্থীরই তোড়জোড় চোখে পড়ল। তিনি তানভির আহমেদ টিটো। নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের মত অত বড় শো ডাউন না করলেও নারায়ণগঞ্জ জেলার কাউন্সিলরের সঙ্গে এসেছিলেন দেশের খেলাধুলার অন্যতম সুতিকাগার নারায়ণগঞ্জের অনেক নামী ক্রীড়াব্যক্তিত্ব।
ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিসিবির সাবেক সহ-সভাপতি কুতুবউদ্দীন আকসির, জাতীয় দলের দুই সাবেক ওপেনার জাহাঙ্গীর আলম ও শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ এবং সাবেক ক্রিকেটার জাকারিয়াও এসেছিলেন তানভির আহমেদ টিটোর সমর্থনে।
মূলত এই দু’জন প্রার্থী ছাড়া আর বাকিরা মনোনয়নপত্র তুলতে এলেন অনেকটাই নীরবে-নিভৃতে। এমনকি যিনি আবারও চার বছরের জন্য বিসিবির বিগবস হতে যাচ্ছেন সেই নাজমুল হাসান পাপনও আসলেন একদম নীরবে।
আসলে তাদের হইচই করার কোনো দরকারও নেই। একপেশে নির্বাচন। কোনো প্রতিপক্ষ নেই। কাউন্সিলরদের প্রায় সবাই নাজমুল হাসান পাপনের অনুসারী। হাতেগোনা দু’একজন বিপক্ষে। শতকরা হিসেবে ৯৮ থেকে ৯৯ ভাগ পাপনের পক্ষে। ১ থেকে ২ ভাগ কিংবা তারও কম বিপক্ষে।
তাই নাজমুল হাসান পাপনের প্যানেলের অন্য সব প্রার্থী অনেকটা জয় নিশ্চিত ধরেই মনোনয়ন তুলেছেন। কারণ, তিন ক্যাটাগরির মধ্যে ২৫ সদস্যর বোর্ড পরিচালক পর্ষদের তিনটি পদ ছাড়া আর কোথাও নির্বাচনের সম্ভাবনা প্রায় শূন্যের কোঠায়।








