আম্ফান প্রভাব : বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে তিস্তার পানি
প্রচ্ছদ » Uncategorized » আম্ফান প্রভাব : বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে তিস্তার পানি
পুঁজিবাজার রিপোর্ট ডেস্ক: বাংলাদেশের উপকূলের দিকে প্রবল গতি-শক্তি নিয়ে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে উত্তরাঞ্চলের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি দ্রুত বাড়তে পারে। আগামী তিন দিনের মধ্যে তিস্তা নদীর পানি সমতল দ্রুত বেড়ে তা বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে।
বুধবার (২০ মে) পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র ‘উত্তরাঞ্চলের নদীসমূহের পানি সমতল সম্পর্কিত বিশেষ প্রতিবেদন’ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রবল ঘূর্ণিঝড় আম্ফান বুধবার (২০ মে) বিকেল বা সন্ধ্যা নাগাদ বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম শুরু করতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া বিভাগ।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর, ভারত আবহাওয়া অধিদফতর, ইউরোপীয় ইউনিয়নভিত্তিক আবহাওয়া সংস্থা ইসিএমডব্লিউএফ (দ্য ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর মিডিয়াম রেঞ্জ ওয়েদার ফোরকাস্ট) ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা এনওএএ (ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড এটমোস্ফেয়ার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) এর তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় আম্ফান বাংলাদেশের উপর দিয়ে অতিবাহিত হওয়ার পর ২১ থেকে ২৪ মে পর্যন্ত বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল ও কাছাকাছি উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ভারতে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে (১০০ থেকে ৩০০ মিলিমিটার)।
এতে আরও বলা হয়, এর ফলে ওই সময়ে উত্তরাঞ্চলের প্রধান নদীগুলোর বিশেষত- ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, দুধকুমার, ধরলা ইত্যাদি নদীর পানি সমতল দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে এবং তিস্তা নদীর পানি সমতল দ্রুত বৃদ্ধিতে স্বল্প সময়ের মধ্যে বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে।
এদিকে আবহাওয়া অধিদফতরের দুপুরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় আম্ফান আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আজ দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৮০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৭০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৯০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩২০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে করছিল। এটি আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে আজ বিকেল/সন্ধ্যার মধ্যে সুন্দরবনের কাছ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।








