পুঁজিবাজার রিপোর্ট ডেস্ক : করোনাভাইরাস মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ে কারণে আবারও এক মাসের লকডাউন দেয়া হয়েছে ইংল্যান্ডে। চলতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়ে আগামী ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এই লকডাউন। তবে এসময়ের মধ্যে রুদ্ধদ্বার গ্যালারিতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচগুলো চালিয়ে নেয়ার অনুমতি দিয়েছেন ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।
যে কারণে রোববার রাতেও মাঠে গড়িয়েছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ। তবে লকডাউনের কারণে আবারও যদি ফুটবল বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে সেটি মানতে আপত্তি নেই ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গার্দিওলার। সময়ের অন্যতম সেরা এ কোচের মতে, সবকিছু থেমে গেলে ফুটবল চালিয়ে নেয়ার কোনো মানে নেই।
কেননা ফুটবল সংশ্লিষ্ট সবাই সমাজেরই অংশ। তাই দোকানপাট বন্ধের সিদ্ধান্ত হলে, ফুটবল বন্ধের ব্যাপারেও তার কোনো দ্বিমত থাকবে না। গার্দিওলা বলেছেন, ‘এটা (ফুটবল চালিয়ে নেয়া) কঠিন। পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে বলেই প্রধানমন্ত্রী লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। স্পেন, জার্মানি, ফান্সসহ সবখানেই এমনটা হচ্ছে।’
‘বোঝাই যাচ্ছে, এখনও ভাইরাসটি রয়েছে। মানুষ হয়তো বলবে ফুটবলের অবস্থা শক্তিশালী। তবে আমি মনে করি ফুটবল কোনো ব্যতিক্রম হতে পারে না। আমাদের খেলতে হলে অবশ্য খেলতে যাবো। কিন্তু সমাজের অন্যকিছুর চেয়ে ব্যতিক্রম হতে চাই না। যেখানে রেস্টুরেন্ট, দোকানপাটসহ সবকিছুই বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে।’
এসময় সবার নিরাপত্তার বিষয়ে ইঙ্গিত করে গার্দিওলা আরও বলেন, ‘এটা এমন একটা পরিস্থিতি, যেখানে আমার নিজের সম্পৃক্ততা নেই বললেই চলে। আমি নিরাপদ থাকতে চাই। আমি নিজের জন্য, পরিবারের জন্য, বন্ধুবান্ধবের জন্য, পুরো ইংল্যান্ডের সবার জন্য ভালো চাই। কিন্তু সত্যি বলতে আমি কিছুই জানি না।’
মঙ্গলবার উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে অলিম্পিয়াকোসের মুখোমুখি ম্যানচেস্টার সিটি। প্রিমিয়ার লিগের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগও থামানোর কোনো আলোচনা শোনা যায়নি। তাই মূলত প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছেন গার্দিওলা। কর্তৃপক্ষ যে সিদ্ধান্ত নেবে, তাই মেনে নেবেন বলে জানিয়েছেন ম্যান সিটি কোচ।
লকডাউন শুরুর পর সিদ্ধান্ত কী হবে তা দেখতে চান গার্দিওলা। পুরো বিষয়টিকে মোটেও হালকাভাবে নিচ্ছেন না তিনি, ‘এটা কোনো মজারব বিষয় নয়। খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা জিনিস। সে (প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন) যদি ঘরে থাকতে বলে, তাহলে অবশ্যই ঘরে থাকতে হবে। সে যদি বলে করতে হবে না, তাহলে আমরাও করব না।’
‘আমাদের সবাইকেই সচেতন থাকতে হবে। বাস্তবতা অনেক বেশি কঠিন, এটা চ্যালেঞ্জিং। আমাদের যদি থেমে যেতে হয়, তাহলে থেমে যাব। আর তারা যদি সিদ্ধান্ত নেয় যে, এটা সমাজের জন্য ভালো হবে, তাহলে আমরা খেলে যাব। আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। সচেতন থাকতে হবে, চোখ-কান খোলা রাখতে হবে।’
পুঁজিবাজার রিপোর্ট – নূ/আ/সি/ ২রা নভেম্বর, ২০২০।








