বাল্যবিবাহ কমাতে পারে ফুটবল
প্রচ্ছদ » Uncategorized » বাল্যবিবাহ কমাতে পারে ফুটবলপুঁজিবাজার রিপোর্ট ডেস্ক : বাল্যবিবাহ কিভাবে ঠেকানো যায়? বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও ইউনিসেফ এ নিয়ে কাজ করছে যৌথভাবে। বাফুফের ক্যাম্পে থাকা নারী ফুটবলার, নারী ফুটবলারদের কোচিং স্টাফ, গ্রাসরুটপ পর্যায়ের কোচদের নিয়ে বুধবার একটি যৌথ ট্রেনিং প্রোগ্রামও হয়েছে। জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুনসহ ক্যাম্পের মেয়েরা এই ভার্চুয়াল এই ট্রেনিং প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছেন।
দেশের সিনিয়র নারী ফুটবলার, গোলমেশিনখ্যাত সাবিনা খাতুন মনে করেন ফুটবল খেলার মাধ্যমে মেয়েদের বাল্যবিবাহ কমানো সম্ভব। বুধবারের ট্রেনিং প্রোগ্রামে অংশ নিয়ে তিনি বেশ আশাবাদীও হয়েছেন।
সাংবাদিক : কেমন আছেন?
সাবিনা খাতুন : ভালো আছি আল্লাহর রহমতে।
সাংবাদিক : বুধবার তো দীর্ঘ ট্রেনিং প্রোগ্রাম করলেন বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ নিয়ে। কেমন হলো প্রোগ্রাম?
সাবিনা খাতুন : অনেক ভালো প্রোগ্রাম হয়েছে। এক থেকে সোয়া ঘণ্টার এই প্রোগ্রামে বোঝানো হয়েছে কিভাবে বাল্যবিবাহ ঠেকানো যায়, কিভাবে কিশোরীদের এ বিষয়ে সচেতন করা যায়।
সাংবাদিক : বাফুফে ও ইউনিসেফ এই আয়োজন করেছে। তারা আসলে কোন বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছে?
সাবিনা খাতুন : ফুটবলের বাইরে আছে আরো বিশাল সমাজ। সব জায়গায় তো আমরা নজর দিতে পারবো না। খেলার মাঠ, অনুশীলন মাঠ থেকে শুরু করে যেখানে নারী ফুটবলাররা থাকবে তাদের মোটিভেট করাই হবে আমাদের কাজ। সেটা কিভাবে করা যায় সেই ট্রেনিংই হয়েছে।
সাংবাদিক : ফুটবলের মাধ্যমে কতটা এই বাল্যবিবাহ ঠেকানো সম্ভব?
সাবিনা খাতুন : কোনো অপরাধই রাতারাতি শেষ করা যায় না। তবে চেষ্টা করলে কমানো যায়। ফুটবলের মাধ্যমে অবশ্যই বাল্যবিবাহ কমানো সম্ভব।
সাংবাদিক : সেটা কিভাবে আপনি মনে করেন?
সাবিনা খাতুন : সবচেয়ে বড় কথা ফুটবলে এখন লাইফ আছে। ফুটবল খেলে এখন স্বাবলম্বী হওয়া যায়, অনেকে হচ্ছে। এসব অন্যদের জন্য প্রেরণা।
সাংবাদিক : মেয়েদের কেন ফুটবলে পাঠাবে তাদের অভিভাবকরা?
সাবিনা খাতুন : ওই যে বললাম, ফুটবলে এখন ভালো লাইফ আছে। এখন ১৫-১৬ বছরের একটি মেয়ে ফুটবল খেলে স্বাবলম্বী হচ্ছে, পরিবারের দেখাশুনা করছে। ওদের জন্য এটা কিন্তু বিশাল ব্যাপার।
সাংবাদিক : আপনি সিনিয়র খেলোয়াড়। অনেক দিন ধরে খেলেছে। কোনো অভিজ্ঞতা আছে কারো বাল্যবিবাহ ঠেকানোর?
সাবিনা খাতুন : আছে। তবে আমি সফল হাইনি। বেশ আগের ঘটনা। জাতীয় দলের এক খেলোয়াড়ের বিয়ে হবে শুনে ঠেকানোর আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলাম। পারিনি।
জাগো নিউজ : বুধবারের ট্রেনিং প্রোগ্রামে বাফুফের ক্যাম্পের আপনারা প্রায় সবাই অংশ নিয়েছেন। এখানে তো অনেক ছোট ছোট মেয়েও আছে। তারা আসলো কতটা উদ্ভূদ্ধ হলো?
সাংবাদিক : দেখুন অনূর্ধ্ব-১৪, অনূর্ধ্ব-১৬ ও অনূর্ধ্ব-১৮ দলের মেয়েরা ক্যাম্পে আছে। তারা এই ট্রেনিং প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছে অনলাইনে। তাদের জন্য দারুণ এক অভিজ্ঞতা। অনেকের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় নিয়ে ওরা আলোচনা করলো।
সাংবাদিক : ভালো থাকবেন।
সাবিনা খাতুন : ধন্যবাদ। আপনিও ভালো থাকবেন।
পুঁজিবাজার রিপোর্ট – আ/ব/সি/ ২১ এপ্রিল, ২০২১।্যঈদে আসছে সালমার চমক








