যে মূল্যে বিড করবেন সেই শেয়ার বিডাররা কিনতেই হবে
প্রচ্ছদ » Breaking News || Slider || আজকের সংবাদ » যে মূল্যে বিড করবেন সেই শেয়ার বিডাররা কিনতেই হবে
পুঁজিবাজার রিপোর্ট ডেস্ক: বুক বিল্ডিং এর পাবলিক ইস্যুর বিডিং এ বিডাররা যে মূল্যে এবং যে পরিমান শেয়ার বিড করবেন সেই শেয়ার তাদেরকে অবশ্যই সেই দরেই কিনতে হবে। পাশাপাশি বিডাররা যে পরিমান শেয়ার বিড করবে সেসব শেয়ারও তাদের কিনতে হবে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) রুলস ২০১৫ এর কতিপয় সংশোধনীতে এমনটিই বলা হয়েছে।
বুধবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) রুলস ২০১৫ এর কতিপয় সংশোধনীতে অনুমোদন করেছে। যা শিগগিরই জনমত গ্রহনের জন্য প্রকাশ করা হবে।
প্রস্তাবিত সংশোধনীতে মধ্যে বলা হয়েছে- বুক বিল্ডিং এর মাধ্যমে পাবলিক ইস্যুর ক্ষেত্রে এর পরিমান কমপক্ষে ১০০ কোটি টাকা বা ইস্যুয়ারের পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশের বেশি হতে হবে।
বুক বিল্ডিং এর মাধ্যমে পাবলিক ইস্যুর বিডিং এ যোগ্য বিনিয়োগকারীদের তাদের বিডের শতভাগ মূল্য যে এক্সচেঞ্জ বিডিং পরিচালনা করছে সেখানে জমা দিতে হবে। বিডিং এ শেয়ারের এলোটমেন্টে সর্বোচ্চ মূল্যস্তরে শুরু হবে এবং ক্রমান্বয়ে তা নিচের দিকে আসবে। যে মূল্যে শেয়ার শেষ হবে তা কাট অফ প্রাইস হিসাবে গণ্য হবে এবং সাধারন বিনিয়োগকারীরা সেই মূল্য থেকে ১০ শতাংশ কমে শেয়ার ক্রয় করবেন।
বিডিং এ বিডারদের নাম বা তাদের প্রাইস ডিসপ্লে করা যাবে না। বিডিং এ যদি কাট অফ প্রাইসে একাধিক বিডারের বিড থাকে সেক্ষেত্রে যে বিডার আগে বিড দাখিল করেছেন তাকে প্রথমে শেয়ার প্রদান করা হবে।
বিডিং এ চূড়ান্ত ফল, মূল্য ও বরাদ্দকৃত শেয়ারের সংখ্যাসহ যারা শেযার পেয়েছেন তাদের ই মেইলের মাধ্যমে প্রেরন করা হবে এবং একই সাথে ইস্যুয়ার, ইস্যু ম্যানেজার এবং এক্সচেঞ্জের ওয়েব সাইটে তা প্রকাশ করা হবে। অকৃতকার্য বিডাররের অর্থ স্টক এক্সচেঞ্জ সর্বোচ্চ ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ফেরতে দিবে।
বুক বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কোট ৬০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫০ শতাংশ এবং সাধারন বিনিয়োগকারীদের কোটা ৩০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ করা হবে। বুক বিল্ডিং এর মাধ্যমে পাবলিক ইস্যুর ক্ষেত্রে যোগ্য বিনিয়োগকারীর শেয়ারের কোটা বিডিং এর মাধ্যমে সম্পূর্ণরূপে বিক্রি না হলে সে ইস্যু বাতিল হয়ে যাবে।
স্টক এক্সচেঞ্জদেরকে পাবলিক ইস্যুর তালিকাভুক্তির আবেদন পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে পাবলিক ইস্যু রুলস বা অন্যান্য সিকিউরিটিজ আইন বা একাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ডের ব্যত্যয় থাকলে তা উল্লেখ করে তাদের মতামত কমিশনে প্রেরন করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে মতামত প্রদান না করলে ধরে নেয়া হবে যে স্টক এক্সচেঞ্জের এ বিষয়ে কোনো মতামত নেই।








