শেষ কোয়ার্টারেই সর্বনাশ
প্রচ্ছদ » Uncategorized » শেষ কোয়ার্টারেই সর্বনাশনিজস্ব প্রতিবেদক: আগের দিন চীনের বিরুদ্ধে শেষ কোয়ার্টার ছিল বাংলাদেশের গৌরবের। একদিন পরই জাপানের বিরুদ্ধে শেষ কোয়ার্টার হয়ে গেলো সর্বনাশের। শুক্রবার মওলানা ভাসানী স্টেডিয়ামে জাপানের বিরুদ্ধে পঞ্চম স্থান নির্ধারণী ম্যাচের শেষ কোয়ার্টারেই হারের ব্যবধানটা বড় হয়েছে বাংলাদেশের। শেষ ১৫ মিনিটে জাপান তিন তিনটি গোল আদায় করে জয়ের ব্যবধান ৪-০ করে।
ম্যাচের পর বাংলাদেশ অধিনায়ক রাসেল মাহমুদ জিমিও বলেছেন, শেষ কোয়ার্টারের ব্যর্থতার কথা। চীনের বিরুদ্ধে রোমাঞ্চকর এক জয় পাওয়া বাংলাদেশ জাপানের বিরুদ্ধে শেষ কোয়ার্টারে কেন হারিয়ে গেলো ম্যাচ শেষে সে প্রশ্নও বেশি শুনতে হলো অধিনায়ককে।
আমাদের শুরুটা কিন্তু ভালোই ছিল। কিন্তু শেষ কোয়ার্টারে গিয়ে ম্যাচটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারিনি। আসলে জাপান আমাদের সঙ্গে আগে একটি অনুশীলন ম্যাচ খেলেছে, গ্রুপ পর্বে খেলেছে। নিশ্চয়ই তারা আমাদের নিয়ে পরিকল্পনা করেছে। আমরা একটা দিন হাতে পেলে হয়তো ভালো হতো’-বলেছেন জিমি।
শেষ কোয়ার্টারে এমন বিপর্যয় হলো কেন? লক্ষ্য পূরণ হয়ে যাওয়ায় কী ম্যাচটি শেষ দিকে ছেড়েই দিয়েছিলেন? ‘না সেটা ঠিক না। আমাদের লক্ষ্য ছিল ৬ নম্বর হওয়া। তবে পঞ্চম হওয়ার সুযোগটাও আমরা হারাতে চাইনি। আমাদের প্রথম দিকে খেলা ভালোই হয়েছিল। সুযোগও পেয়েছিলাম। আমরা গোল করতে পারিনি, ওরা করেছে। যে গোলগুলো জাপান করেছে সেগুলো আমাদের ভুলেই হয়েছে। জিরো অ্যাঙ্গেল থেকে, কর্নার থেকে গোল হয়েছে। এগুলোকে কোনোভাবেই ভালো গোল বলা যাবে না’-বলেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
র্যাংকিং বাড়ানোটাকেও গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে রাসেল মাহমুদ জিমি বলেছেন, ‘আসলে টুর্নামেন্টে কোন দলের কী র্যাংকিং তাও দেখতে হবে। এখানে পিছিয়ে থাকলে অনেক দল খেলতেও চায় না। আমরা অনেক দিন পর ষষ্ঠ হলাম, পঞ্চম হওয়ার সুযোগও ছিল। আমরা সেটা পারিনি।
সিনিয়র খেলোয়াড় মামুনুর রহমান চয়ন বলেছেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হয়তো পূরণ হয়েছে। কিন্তু ওভার অল পারফরম্যান্সে আমি খুশি না। আরো ভালো হতে পারতো। টুর্নামেন্টের শুরুটা আমাদের খারাপ হয়েছিল। পাকিস্তান ও ভারতের কাছে বেশি গোল খেয়েছিলাম। আমরা পেনাল্টি কর্নার বেশি আদায় করতে পারিনি। তবে যা পেয়েছি সেগুলোর বেশিরভাগই কাজে লাগিয়েছি।








