জিল বাংলার অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি : কাল থেকে লেনদেন স্থগিত

প্রচ্ছদ » খেলা » জিল বাংলার অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি : কাল থেকে লেনদেন স্থগিত

jil banglaপুঁজিবাজার রিপোর্ট ডেস্ক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জিল বাংলা সুগার মিলস লিমিটেডের শেয়ারে অস্বাভাবিক লেনদেন এবং অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আগামীকাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) থেকে কোম্পানিটির লেনদেন স্থগিত করেছে।

আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী-রুবাইয়াত-উল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

আদেশে উল্লেখ করা হয়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের জিল বাংলা সুগার মিলস লিমিটেডের শেয়ারে অস্বাভাবিক লেনদেন এবং দামের তারতম্য লক্ষ্য করেছে। কমিশন মনে করে, জনস্বার্থে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডে জিল বাংলার শেয়ারের লেনদেন স্থগিত করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন সিকিওরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ,১৯৬৯ এর সেকশন ৯ এর ৭ ধারা অনুযায়ী লেনদেন স্থগিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। অন্যদিকে স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৬৯ এর সেকশন ৯ এর ৮ ধারা অনুযায়ী প্রথম পর্যায়ে ৩০ দিনের জন্য লেনদেন স্থগিত করতে পারে।

সূত্র জানিয়েছে, কোম্পানিটর অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির কারণে লেনদেন স্থগিত করেছে। এর পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে কিছু অসাধু বিনিয়োগকারীরা। তারা সিরিয়াল ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে কোম্পানিটির শেয়ারের দর বাড়িয়েছে। কারসাজি করা চক্রটি যাতে উচ্চ মূল্যে শেয়ার বিক্রি করতে না পারে সেই জন্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

গত ৯ জুলাই জিল বাংলার শেয়ার দর ছিল ৩১ টাকা ৬০ পয়সা। যে শেয়ারটি ১৪ সেপ্টেম্বর লেনদেন শেষে বেড়ে দাড়িঁয়েছে ২১৩ টাকা ১০ পয়সা। অর্থাৎ গত ২ মাসে শেয়ারটির দর বেড়েছে ১৮১ টাকা ৫০ পয়সা বা ৫৭৪ শতাংশ।

গত ১৩ আগস্ট বিএসইসির ‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ারে টি+৩ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরে সরকারি মালিকানাধীন জিল বাংলা সুগারের দর বৃদ্ধি তরান্তিত হয়। অথচ ৬ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনের এ কোম্পানিটি ২০১৮-১৯ অর্থবছরেও ৬২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা লোকসান করেছে। ধারাবাহিক এমন লোকসানে কোম্পানিটির রিটেইন আর্নিংস এখন ঋণাত্মক ৩৭০ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। ১৯৮৮ সালে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানিটির সর্বশেষ কবে লভ্যাংশ দিয়েছে, সেই তথ্যও ভুলে গেছে সবাই। এমনকি কোন স্টক এক্সচেঞ্জে কোম্পানিটির প্রোফাইলেও এ তথ্য পাওয়া যায়নি। শুধুমাত্র সরকার অর্থায়নের কারনে টিকে রয়েছে এ কোম্পানিটি।

উল্লেখ, জেড ক্যাটাগরির কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৬ কোটি টাকা। মোট শেয়ার ৬০ লাখ। এর মধ্যে সরকারের কাছে ৫১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠারিক বিনিয়োগকারীর কাছে ১৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩৫ দশমিক শূণ্য ৭ শতাংশ। সূত্র: অর্থসূচক।

পুঁজিবাজার রিপোর্ট – আ/ব/সি/ ১৪ সেপ্টেম্বর , ২০২০।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Live Video

[ytplayer id=33256]

সম্পাদকীয়

অনুসন্ধানী

বিনিয়োগকারীর কথা

আর্কাইভস

August ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« May    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১