লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণে সঠিক স্থানে দক্ষ জনবল প্রয়োজন
প্রচ্ছদ » সারাদেশ » লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণে সঠিক স্থানে দক্ষ জনবল প্রয়োজন
পুঁজিবাজার রিপোর্ট ডেস্ক: প্রতিটি সেক্টরে নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য রয়েছে। দক্ষ জনবল নিয়োগ দেওয়া না হয় তবে শুধু সময় নষ্ট হবে এবং লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণ করা সম্ভব হবে না। তাই সঠিক জায়গার জন্য সঠিক ব্যক্তিকে নিয়োগ দিতে হবে বলে জানিয়েছেন নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম।
শুক্রবার ডিজিটাল প্লাটফর্মে সিএফএ প্রিপ্যারাটরি প্রোগ্রাম এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
চেয়ারম্যান বলেন, সঠিক ব্যক্তির সাথে পেশাদার জনগণ, পেশাদার মান, পেশাদার শিক্ষা এবং পেশাদার শ্রেষ্ঠত্ব খুব দরকার। আট বছর বিজনেস স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলাম। ব্যবসা এবং ইন্ডাস্ট্রীতে কি হয় তা দেখেছি এবং আমি অনুভব করেছি যে পেশাদারিত্বের উন্নয়ন খুবই প্রয়োজন। তাই কখনো কোনো পেশাদারিত্বের সংগঠন বা সোসাইটি যদি সহযোগিতা চেয়েছে তাহলে চেষ্টা করেছি তাদেরকে সর্বোচ্চ সাহায্য করার। আমার মনে পড়ে না আমি কোন বিষয়ে কখনো না বলেছি
অধ্যাপক বলেন, বাংলাদেশ অর্থনীতিতে একটি নতুন ধারায় প্রবেশ করেছে। গতকাল আমি যখন অফিসের জন্য তৈরি হচ্ছি তখন আমার মোবাইলে একটি এসএমএস আসে। চেক করে দেখি প্রধানমন্ত্রী এসএমএস এর মাধ্যমে তিনটি হাততালি পাঠিয়েছে। কারণ আগস্ট মাসে বাংলাদেশের শেয়ারবাজার বিশ্বে সবার থেকে ভালো অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি খুব ভালো অবস্থানে এগিয়ে যাচ্ছে।
তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে অর্থনীতি এখনো কিছুটা কঠিন অবস্থায় মধ্যে রয়েছে। আমদানি, রপ্তানি, রেমিটেন্স ও অর্থনীতির সকল কাটাই ভালো অবস্থার দিকে ফিরে যাচ্ছে। লক্ষ্য করলে দেখা যায় পাবলিক এবং প্রাইভেট সেক্টর উভয়ই একসাথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি জানান।
তিনি জানান, যখন ব্যবসার সাথে যুক্ত হয়েছি এবং সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হয়েছি তখন দেখতে পাই যে পাবলিক সেক্টর খুব দ্রুত উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনে কাজ করার সময় দেখেছি ইন্সু্যরেন্স সেক্টরে জনবলের খুবই অভাব। এবং দক্ষ জনবলের অভাবে অর্থনীতিতে সেক্টরটি কোন অবদান রাখতে পারছে না। জিডিপিতে এর অবদান নিশ্চিত করতে হলে সঠিক জনবলের দরকার। তখন প্রধানমন্ত্রী এবং সচিব আসাদুল ইসলাম এর সাথে আলোচনা করে দক্ষ জনবল তৈরিতে উদ্যোগ নেয়া হয়।
সিএফএ সোসাইটি যে পদক্ষেপ নিয়েছে দক্ষ জনবল তৈরিতে এবং তার অংশ হিসেবে তিন মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। আজ সেই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে থাকতে পেরে খুবই আনন্দিত।
বাংলাদেশ ব্যাংক, বিএসইসির এবং স্টক এক্সচেঞ্জের ২৫ জন ব্যক্তিকে তারা প্রশিক্ষণ দেবে। যারা ডিসিশন মেকার, পলিসি মেকার, সরাসরি অর্থনীতিতে অবদান রাখে এবং ভবিষ্যতে নিয়ন্ত্রক হবে তাদেরকে প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করার যে উদ্যোগ সিএফএ সোসাইটি নিয়েছে সে কারণে তাদেরকে তিনি ধন্যবাদ জানান। এবং যারা এই স্কলার্শিপ এবং উদ্যোগের পেছনে রয়েছে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। সেই সাথে স্কলারশিপের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন, আশা করছেন মন্ত্রণালয় এটাকে সহযোগিতা দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র অর্থনীতিবীদ ফয়সাল আহমেদ এবং ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের সংযোজন প্রফেসর লুৎফে সিদ্দিকী।
সিএফএ সোসাইটির সভাপতি শাহিন ইকবালের সভাপতিত্বে প্রোগ্রামের সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম।
এছাড়া বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত সিএফএ ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
পুঁজিবাজার রিপোর্ট – আ/ব/সি/ ১১ সেপ্টেম্বর , ২০২০।








