কত দিন পর্যন্ত মন্দা চলতে পারে জানালেন ইলন মাস্ক

প্রচ্ছদ » Uncategorized » কত দিন পর্যন্ত মন্দা চলতে পারে জানালেন ইলন মাস্ক

পুঁজিবাজার রিপোর্ট প্রতিবেদক: বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা, মহাকাশ অভিযান সম্পর্কিত যন্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্সের প্রতিষ্ঠাতা ও শীর্ষ নির্বাহী কর্মকর্তা ইলন মাস্কের শঙ্কা, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যে অর্থনৈতিক মন্দাভাব দেখা দিয়েছে, তা চলতে পারে ২০২৪ সাল পর্যন্ত।

বুধবার ক্রিপ্টোকারেন্সি ডগিকয়েনের নির্মাতা বিলি মার্কাসের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে টুইট বিনিময় হয় বিশ্বের শীর্ষ ধনী মাস্কের। টুইটবার্তায় বিলি মার্কাস বলেন, ‘বর্তমানে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা অনেক কমে এসেছে। আমার মনে হয় এখন আমাদের আসন্ন অর্থনৈতিক মন্দা ও পারমাণবিক যুদ্ধের সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত।’

জবাবে পাল্টা এক টুইটবার্তায় মাস্ক বলেন, ‘আমরা এখন মন্দার মধ্যেই আছি এবং সামনে যদি বৈশ্বিকভাবে বড় কোনো দুর্যোগ না ঘটে, সেক্ষেত্রে আগামী ২০২৪ সালের বসন্ত (প্রথমার্ধ) পর্যন্ত এই অবস্থা থাকবে। অবশ্য এটা নিছকই ব্যক্তিগত অনুমান।’

করোনা মহামারির দ্বিতীয় বছর অর্থাৎ ২০২১ সালে বিশ্বের প্রবৃদ্ধি ছিল ৬ শতাংশ। কিন্তু মহামারি পরবর্তী ধকল ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে চলতি বছরে এই প্রবৃদ্ধির হার ৩ দশমিক ২ শতাংশ এবং ২০২৩ সালে ২ দশমিক ৭ শতাংশ কমে যেতে পারে বলে সম্প্রতি শঙ্কা জানিয়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঋণদাতা সংস্থা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।

অবশ্য মাস্কই একমাত্র ধনকুবের নন, যিনি বৈশ্বিক মন্দা পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন আছেন। একই দিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বহুজাতিক ই-কমার্স কোম্পানি অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসও এক টুইটবার্তায় জানিয়েছেন, অর্থনৈতিক মন্দার এই কঠিন স্রোতকে থামাতে এখন থেকেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।

যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক ও ‍ঋণদাতা সংস্থা জেপি মর্গানের শীর্ষ নির্বাহী জেমি ডিমনও সম্প্রতি বৈশ্বিক টালমাটাল অর্থনীতি নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন।

তবে মাস্কের এই টুইটবার্তার ভিন্ন তাৎপর্য রয়েছে। গত সপ্তাহ থেকেই টেসলার গাড়ি বিক্রির হার কমে গেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি।

এদিকে, বুধবার মাস্ক টুইট করার পর যুক্তরাষ্ট্রের একটি অর্থনীতি বিশ্লেষণ সংস্থা যোগাযোগ করেছিল তার সঙ্গে। সেই সংস্থাকে মাস্ক বলেন, ‘এখন পর্যন্ত উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবস্থা বেশ ভালো। সেই সঙ্গে এটাও বেশ ভালো একটি ব্যাপার যে মার্কিন ব্যাংকগুলো ঋণের বিপরীতে সুদের হার কিছুটা বাড়িয়েছে।’

‘যদিও এই হার আরও বাড়ানো উচিত ছিল। তবে আমি মনে করি, একটা পর্যায়ে দেশের অর্থনীতির নীতি নির্ধারকরা বুঝতে পারবেন— আসলে তাদের কি কি পদক্ষেপ নিতে হবে। আমি সত্যিই এমনটা মনে করি।’

পুঁজিবাজার রিপোর্ট – শা/রি/ ২৬ অক্টোবর,২০২২।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Live Video

[ytplayer id=33256]

সম্পাদকীয়

অনুসন্ধানী

বিনিয়োগকারীর কথা

আর্কাইভস

August ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« May    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১